1. jagannathpurerkhabor@gmail.com : admin :
  2. gobindo83@gmail.com : Gobindo Deb : Gobindo Deb
  3. humayon1985@gmail.com : Humayon Ahmed : Humayon Ahmed
  4. jamaluddibela1983@gmail.com : Jamal Uddin Belal : Jamal Uddin Belal
১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| সোমবার| সকাল ৯:০৮|
শিরোনাম
জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় বন্যায় অসহায় গরিব মানুষের জন্য  আর কে  ভেরাটিজ স্টোর পক্ষ থেকে এান  বিতরণ জগন্নাথপুরে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ, অভিযুক্ত যুবক গ্রেপ্তার জগন্নাথপুরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে হত-দরিদ্রের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ জগন্নাথপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ইংল্যান্ডপ্রবাসী তরুণীর ভিডিও ধারণ, পর্নোগ্রাফির মামলায় যুবক গ্রেপ্তার জগন্নাথপুরে পুলিশ পক্ষে থেকে ঈদ উপহার পেল শতাধিক দরিদ্র পরিবার জগন্নাথপুরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ব্যবসায়ীকে হত্যা চেষ্টা ছিনতাই মামলার আসামী গ্রেফতার জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব সভাপতি প্রয়াত শংকর রায় স্মরণে শোকসভা: শংকর রায় তার কর্মের মধ্যে অমর হয়ে থাকবেন বিশ্বনাথে শ্যামলী-লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে – নিহত- ২ শাল্লায় খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

২০ শিক্ষকের উপর বিভাগীয় মামলা

রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় : বুধবার, মার্চ ১৩, ২০২৪,
  • 4 দেখা হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর এলাকার ছিক্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন মোছা. সোমা বেগম। গেল বছরের ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই দফা চিকিৎসা ছুটিতে ছিলেন এই শিক্ষিকা। এই ছুটিকালীন সময়েই স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চলে যান তিনি। এরপর আর স্কুলের সঙ্গে যোগযোগ নেই তার। চাকুরি থেকে অব্যাহতি না নেওয়ায় তার এই পদটি শূন্যও ঘোষণা করতে পারে নি কর্তৃপক্ষ। তবে বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিতির দায়ে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলায় কেবল সোমা বেগম নয়, জেলার ১৯ জন সহকারী শিক্ষক এবং একজন প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বিনা অনুমতিতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় বিভাগীয় মামলা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। কর্তৃপক্ষের তদন্তটিম মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের গুদিগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে গিয়ে জেনেছেন, এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গেল জুলাই মাসের পর থেকে আর বিদ্যালয়ে যান নি। অথচ তিনি কোন ছুটির আবেদনও করেন নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার মক্রমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রাহিম আহমদ, শেওড়া পাটকুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জ্যোৎস্না বেগম, ছিক্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছাঃ সোমা বেগম, কেশবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহিমা আক্তার, ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শেফালী বেগম, মিরপুর মহল্লা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছাঃ শারমীনা বেগম, জামারগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফাহমিদা সুলতানা খানম ও কুবাজপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এসএম আশা হক, দিরাই উপজেলার সিরুথুপা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিলকিস আক্তার কলি, হলিমপুর শ্রী নারায়ণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক চামেলী বেগম, রতনগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রূপা তালুকদার, ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লুবনা বেগম ও সিরিয়ারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমনা রানী তালুকদার, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার কৌয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহ আশুরা আক্তার নাসরিন, তাহিরপুর উপজেলার ফয়েজ আহমদ সাহিদাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাজেদা আফরিন আশা, ধর্মপাশা উপজেলার গাবী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিখা আক্তার, শাল্লা উপজেলার ভাটগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গীতা রানী দাস ও চবিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোজাম্মিল হক সোহাগ, ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ফয়ছল আহমদ এবং সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গুদিগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন হয় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় বিভাগীয় মামলা হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকদের বেশির ভাগেই লন্ডন-আমেরিকায় রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার গুদিগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরেজমিনে তদন্ত যান ডিজি অফিসের তদন্তকারী কর্মকর্তারা। ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষকরা বলেছেন, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে অনুপন্থিত থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস বললেন, বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির সংখ্যা আরও বেশি ছিল। বিভাগীয় মামলা দায়েরের পর কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু পদ শূন্য ঘোষণা করেছেন। সারা জেলায় আরও ১৯ জন সহকারী শিক্ষক ও একজন প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। শীঘ্রই তাদের বিষয়েও সিদ্ধান্ত হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরণের আরো খবর
  • © All rights reserved © 2024
Design and developed By: Syl Service BD